Loading...
Call or WhatsApp to Order Now:
+8801930302001
অর্ডার ট্র্যাকিং
Call or WhatsApp to Order Now:
+8801930302001
অর্ডার ট্র্যাকিং
বাংলা
হোম
তাফসীরুল কুরআন
ঈমান ও আকীদা
শিরক, বিদয়াত ও কুসংস্কার
সকল বই
ব্লগ
পণ্য খুঁজুন...
লগইন
হোম
তাফসীরুল কুরআন
ঈমান ও আকীদা
শিরক, বিদয়াত ও কুসংস্কার
সকল বই
ব্লগ
শপিং কার্ট
আপনার কার্ট খালি
শুরু করতে পণ্য যোগ করুন
হোম
মেনু
খুঁজুন
কার্ট
অ্যাকাউন্ট
Home
লেখক
লেখক
ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরী'আহ অনুষদে ১৯৮৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত অধ্যয়ন করেছেন এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে সেখান থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি শাইখ ড. আবদুল মুহসিন আল-'আব্বাদ, ড. মুহাম্মাদ আল-মুখতার আশ-শানকীতী এবং ড. সুলাইমান আর-রুহাইলীর মতো প্রখ্যাত শাইখদের কাছ থেকে সরাসরি জ্ঞান অর্জন করেছেন। এছাড়াও তিনি শাইখ আবদুল 'আযীয ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালিহ আল-ফাওযান সহ অন্যান্য দেশবরেণ্য উলামায়ে কেরামের আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ ও ইবনুল কাইয়্যিমের রচনা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। বর্তমানে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত এবং তাঁর তত্ত্বাবধানে বহু গবেষক এম. ফিল. ও পিএইচডি করছেন। কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক পথে জ্ঞান অনুসন্ধানে নিয়োজিত এই গবেষক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
1 বই
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক ও বহু গ্রন্থপ্রণেতা ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ১৯৬১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের ধোপাঘাট গোবিন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদরাসা থেকে দাখিল থেকে কামিল পর্যন্ত কৃতিত্বের সাথে শিক্ষা লাভ করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য সৌদি আরবের ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাঊদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করেন এবং সেখান থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানে তিনি পরপর দুবার সেরা ছাত্রের পুরস্কার লাভ করে নিজ মেধার স্বাক্ষর রাখেন। দেশে ফিরে তিনি প্রথমে দারুস সালাম মাদ্রাসায় শায়খুল হাদিস এবং পরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি পিস টিভি, ইসলামিক টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইসলাম ও মানব জীবন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করে সাধারণ মানুষকে ইসলামমুখী করতে সচেষ্ট ছিলেন। তিনি কুরআন ও হাদীস গবেষণামূলক ত্রিশটিরও অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর কালজয়ী রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাহে বেলায়াত, কুর’আন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা, এহইয়াউস সুনান এবং ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ। তাঁর লেখা বইগুলো মানুষকে ইসলামের সঠিক পথে চলার দিকনির্দেশনা দিয়েছে। শিক্ষাদান, লেখালেখির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ইসলামি প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ২০১৬ সালের ১১ মে মাগুরায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এই গুণী ব্যক্তিত্ব ইন্তেকাল করেন।
ড. মিজানুর রহমান আজহারী
ড. মিজানুর রহমান আজহারি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন ইসলামি আলোচক ও চিন্তাবিদ। তিনি বিশ্ববিখ্যাত আল আজহার ইউনিভার্সিটির তাফসির অ্যান্ড কুরআনিক সাইন্স ডিপার্টমেন্ট থেকে সফলভাবে স্নাতক সম্পন্ন করেন। উচ্চতর গবেষণার জন্য তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া-এর ডিপার্টমেন্ট অব কুরআন অ্যান্ড সুন্নাহ স্টাডিজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সেখানেই পিএইচডি গবেষণা করেছেন। তিনি ইনসাফ, আদল ও ইহসানের ভিত্তিতে একটি উন্নত সমাজকাঠামো গঠনের স্বপ্ন দেখেন। তিনি তাঁর জ্ঞান ও সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর বাণী জনপদ থেকে জনপদে, মঞ্চে বা ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন। তাঁর প্রাঞ্জল আলোচনা তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বাসের পথে উজ্জীবিত করতে এবং ইসলামের সঠিক জ্ঞান অর্জনে বিশেষভাবে সহায়তা করে।
আরিফ আজাদ
আরিফ আজাদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামি লেখক, চিন্তাবিদ ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট। ঈমান, যুক্তি, দর্শন, আত্মশুদ্ধি এবং সমসাময়িক ইসলামি বিষয় নিয়ে তাঁর লেখা তরুণ পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। তাঁর প্রথম বই প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ প্রকাশের পর তিনি বাংলা ইসলামি সাহিত্যে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ
জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ও গবেষক শায়খ আহমাদুল্লাহ ১৯৮১ সালের ১৫ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষা নিজ গ্রামের বিদ্যালয়ে শেষ করে তিনি কওমি মাদ্রাসার পথে পা বাড়ান। নোয়াখালী ও হাতিয়ার ফয়জুল উলূম মাদ্রাসায় অধ্যয়নের পর তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম হাটহাজারীতে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। তিনি শিক্ষাজীবনে অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রাখেন; কওমি বোর্ড (বেফাক)-এর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ১০ম, স্নাতক (ফজিলত) পরীক্ষায় ৩য় এবং ২০০১ সালের দাওরায়ে হাদীসে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ২য় স্থান অর্জন করেন। খুলনা দারুল উলূম থেকে ইফতা (ইসলামী আইনশাস্ত্র) সম্পন্ন করে তিনি কুরআন ও হাদীসের গভীরে গবেষণা শুরু করেন। ইসলামের মৌলিক বিষয়ে তাঁর শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার প্রজ্ঞা ও মেধা তাঁকে বর্তমানে ইসলামী সমাজের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার দেবীনগর উপজেলার মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মক্তবে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করার পর নাচল নবাবগঞ্জ মাদ্রাসায় মিশকাত শরীফ পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলূম মউনাথভাঞ্জান থেকে দুইবার দাওরায়ে হাদীস সম্পন্ন করেন। দেশে ফিরে তিনি হাদীস ও তাফসীর বিষয়ে কামিল (স্নাতকোত্তর) পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। শায়খের বক্তব্যগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো তিনি মাসলাক নির্বিশেষে সাধারণ মুসলমানদের উদ্দেশ্যে জান্নাত, জাহান্নাম, কিয়ামত ও আদর্শ পরিবারের মতো বিষয়ে নসীহতমূলক আলোচনা করেন। ইসলামী শিক্ষাকে সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে তিনি একাধিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন, যেমন: আল জামিয়াতুস সালাফিয়া (রূপগঞ্জ), আল মাদ্রাসাতুস সালাফিয়া (আটমল, বগুড়া) এবং বীরকুস্টিয়া দারুল হাদীস সালাফিয়া মাদরাসা (বগুড়া)। এছাড়াও তিনি আল মারকাজুল ইসলামী আস সালাফী (রাজশাহী)-সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেন।
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক জন্ম গাইবান্ধায়। বেড়ে উঠা রাজশাহীতে। পিতা আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, মাতা উম্মে মারিয়াম রাযিয়া। উভয়েই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের হাতেই লেখকের পড়াশোনার হাতেখড়ি। কুরআন ও হাদীছের উচ্চতর জ্ঞান অর্জন করেছেন দারুল উলূম দেওবান্দ, ভারত ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব থেকে। কুরআন মাজীদ হিফয সম্পন্ন করেছেন গিলেটবাজার মাদরাসা বানারস থেকে। তার অন্যতম শিক্ষকগণ হচ্ছেন মাওলানা বদিউজ্জামান (রহ.), শায়খ আব্দুল খালেক সালাফী, মুফতী সাঈদ আহমাদ পালানপুরী, মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ আ'যমী, মুফতী হাবীবুর রহমান আ'যমী, শায়খ আওয়াদ আর-রুওয়াইছী, শায়খ আয়মান আর-রুহাইলী, শায়খ আনীস ত্বাহের, শায়খ আব্দুল বারী বিন হাম্মাদ আল-আনছারী, শায়খ মুহাম্মাদ বিন হাদী আল-মাদখালী প্রমুখ। হাদীছ নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখি করতে ভালবাসেন। গবেষণার পাশাপাশি দেশে সমাজ সংস্কার ও সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীছ ডিপার্টমেন্টের উলূমুল হাদীছ বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।
শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত ইসলামী বক্তা, গবেষক, শিক্ষক ও লেখক। তিনি কুরআন, হাদীস, আকীদাহ, ফিকহ ও দাওয়াহ বিষয়ক বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞান প্রচারে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।
8 বই
মুহাম্মাদ নাসীল শাহরুখ
মুহাম্মাদ নাসীল শাহরুখ একজন লেখক, ধর্মীয় শিক্ষক এবং আল কুরআনের প্রশিক্ষক। তিনি দশ কিরাতে ইজাযার অধিকারী উস্তায আব্দুল হামিদ আল-মুখতার আস-সুদানী (র.) এর নিকট আল-কুরআনের তিলাওয়াত ও তাজউইদ অধ্যয়ন করেন। তিনি আশ-শাতিবিয়াহর বর্ণনাধারা অনুযায়ী হাফস রিওয়ায়েতে নবী মুহাম্মাদ ﷺ থেকে অবিচ্ছিন্ন সনদে সম্পূর্ণ আল-কুরআন তিলাওয়াত করে শোনান এবং তা পাঠ করার ও অন্যকে শোনানোর ‘ইজাযা’ বা অনুমতি লাভ করেন। তিনি স্বীয় উস্তাযের নিকট তাজউইদ শাস্ত্র শেখানোর সনদও অর্জন করেছেন। এই সনদের ধারাবাহিকতার (সিলসিলা) উৎস মিসরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্বিরাআতের শিক্ষকমণ্ডলী। এর পাশাপাশি তিনি আরবী ভাষা ও দ্বীনের অন্যান্য শাস্ত্রও অধ্যয়ন করেছেন। যাঁদের সান্নিধ্যে তিনি আরবী ভাষা শিক্ষা করেছেন, তাঁদের অন্যতম হলেন উস্তায ড. মাহমূদুল হাসান ইউসুফ (ডবল দাওরা, দেওবন্দ)। লেখক ২০১৯ সালে আল-হাইআতুল উলিয়ার অধীনে পরিচালিত তাকমীল (দাওরায়ে হাদীস) পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।